
জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীদের টানে ব্যাটারিচালিত রিকশা থেকে পড়ে প্রধান শিক্ষক রনজিলা পারভিন নিহত হওয়ার ঘটনার তদন্তে এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি ।
ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা তিনজন আসলেই জড়িত কি না। তাঁদের সন্দেহভাজন হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আদালত তিন আসামির প্রত্যেককে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। এর মধ্যে তিন দিন পার হয়েছে। তবে এখনো তদন্তকারীরা নিশ্চিত কোনো তথ্য পাননি।
ঘটনার সময় ব্যবহৃত বলে সন্দেহ করা একটি মোটরসাইকেলের রং নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়টিও এখনো পরিষ্কার হয়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিনজনের পাশাপাশি আরও কয়েকজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। তাঁদের ওপর নজরদারি চলছে এবং গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্ত এখনো চলমান।
জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির চেয়ারম্যান, কবি ও সমাজবিজ্ঞানী মু. নজরুল ইসলাম তামিজী বলেন, প্রধান শিক্ষক রনজিলা পারভিনের মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। একজন শিক্ষিকার এভাবে প্রকাশ্য সড়কে প্রাণ হারানো আমাদের সমাজের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
তিনি আরো বলেন, শুধু সন্দেহভাজন কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি, বিভ্রান্তি বা দীর্ঘসূত্রতা গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আধুনিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সব তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।