1. admin@jubokontha.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সেলুন থেকে খালি গায়ে পালানোর চেষ্টা, গুলি ও চাপাতির আঘাতে প্রাণ গেল যুবকের রাষ্ট্র পুনর্গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ‘কাজ, কাজ আর কাজ পরিচ্ছন্নতাই হোক আগামী দিনের মূল লক্ষ্য’ বিকস ক্যাম্পাসে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।। মানবিক ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ নির্মাণের আহবান জানিয়েছেন কবি মু. নজরুল ইসলাম তামিজী গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলা মিলনায়তনে অত্যন্ত ঝাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হল রূপগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৮০তম সাহিত্য সভা ১ম ঢাকা কবিতা উৎসব ২০২৬-এ কবি মু. নজরুল ইসলাম তামিজীর আহবান : ঢাকার কৃষ্টি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নতুন প্রজন্মের নিকট তুলে ধরুন ছিনতাইকালে শিক্ষিকা নিহত : গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জড়িত কি না, এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ ভোলায় জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির শপথ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত মোহনপুর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়াউদ্দিনের মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রচিন্তা: সংস্কার থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা || রাজু আলীম সোনারগাঁও সাহিত্য কুটির এর অভিষেক ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 ৭ সন্তান নিয়ে অনাহারে এক মা, নেই মাথা গোঁজার ঠাঁই

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

জঙ্গলে ঘেরা খালের ধারে নড়বড়ে বাড়িতে ৬ সন্তান নিয়ে বসবাস রাবেয়া খাতুনের। বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নেই। নেই বাড়িতে বিদ্যুৎ সযোগ। অনিরাপত্তায় বসবাস। একে একে ছয় মেয়ে সন্তানের পর এক ছেলে সন্তান যেন এই দুঃখি পরিবারের সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের হতদরিদ্র এই পরিবারের বসবাস। স্বামী শামসুল ইসলামের কিছুই নেই। পিতার দেওয়া ভিটেবাড়িতে ৭ সন্তান নিয়ে থাকেন রাবেয়া খাতুন। অতি কষ্টের সংসার তার। প্রায় দিন ঘরে খাবার থাকে না। ৭ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে হিমশিম খান দিনমজুর শামসুল। সকালে কাধে গামছা, হাতে দা নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে নারকেল গাছ সাফ করেন। কোন দিন কাজ হয় আবার কোন দিন হয় না। এদিকে স্ত্রী রাবেয়া খাতুন পিতার বাড়িতেই বাচ্চাকাচ্চা সামলান। কখনো সন্তানের মুখে দুমুঠো ভাত তুলে দিতে পরের বাড়িতে ঝি এর কাজ করেন। রাবেয়া খাতুন জানান, আগে লক্ষিপুর আবাসন প্রকল্পের ঘরে বসবাস করতেন। এখন আর করেন না। এদিকে আম্ফান ঝড়ে তাদের বসবাস করার একমাত্র ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। সন্তান নিয়ে নিজ ঘরে বসবাস আর বেঁচে থাকার লড়াই করতে করতে পরিবারটি এখন ক্লান্ত। তাদের দূরাবস্থার জানতে পেরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গান্না ইউনিয়ন বিচিত্রা রাবেয়ার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার পৌছে দিয়েছে। তবে এই সহায়তা পরিবারটির জন্য খবুই অপ্রতুল। বেঁচে থাকার জন্য তাদের সরকারী সহায়তা প্রয়োজন। রাবেয়া খাতুন জানান, “আমাগের ঘড়ডা যদি কেও ভাল করে দিত, আর কিছু নগদ টাকা পাইতাম তবে ৭ সন্তান নিয়ে বাঁচতে পারতাম। এ ব্যাপারে গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দীন মালিথা জানান, এমন পরিবারের খোঁজ আমাকে কেও দেয়নি। কারণ আমি গান্না ইউনিয়নের প্রতিটি অসহায় দুস্থ পরিবারকে সরকারী কার্ড করে দিয়েছি। তিনি পরিবারটি খুজে বের করে আর্থিক সহায়তা করবেন বলে জানান।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2026 :: All rights reserved.
Design BY POPULAR HOST BD
error: কপি বাদ দিয়া খাইটা খাও! নিজে লিখতে শিখো, কপি করা নিষেধ।।